একদিনও থাকা হলো না স্বপ্নের বাড়িতে

‘অনেক শখ ছিল নতুন ঘরে উঠবে। কিন্তু করো’নায় যে কোনো মুহূর্তে ফ্লাইট বন্ধ করে দিতে পারে সেই ভয়ে তাড়াহুড়া করে দেশে থেকে কর্মস্থলে ফিরে যায়। বিধিবাম, সেই স্বপ্নের ঘরটাতে আর ফেরা হবে না তার।’হৃদয়বিদারক কথাগু'লো বলছিলেন ওমানপ্রবাসী মৃ'তের চাচা শেখ আহম'দ। দেশ থেকে নিজ কর্মস্থল ওমানে ফিরে মাত্র ১৫ দিনের মাথায় করো’নায় প্রা`ণ হারালো বাংলাদেশি এক প্রবাসী যুবক।

নাম মো. এরশাদ। তিনি চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি পৌর সদরের ৭নং ওয়ার্ডের নুরুচ্ছাপার ছেলে।শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টায় দেশটির আল খুদ বদর আল সামা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মা`রা যান। বি'ষয়টি নি`শ্চিত করেছেন ওমানে থাকা তার চাচা শেখ আহম'দ। কিন্তু ততক্ষণে ক`রোনা তার ফু`সফুস অনেকটা শেষ করে দিয়েছে।

গতকাল শুক্রবার শ্বা`সকষ্ট বেড়ে গেলে অনেকটা কষ্ট সহ্য করতে না পেরে এক বন্ধু কাছেই একটি প্রাইভেট হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ভর্তির তিন ঘণ্টা পর সে মা`রা যান তিনি।এরশাদ মাস্কাট সিটির আল হীল নামক স্থানে বসবাস করতেন। তিনি বিল্ডিং মেন্টেনাইজের কাজ করতেন। এক কন্যা ও দুই পুত্র সন্তানের জনক এরশাদ দেশে গিয়ে বাড়ি তৈরি করেছিলেন। স্বপ্নের বাড়িটাও অনেকটা সম্পন্ন করেছিলেন।তার চাচাতো ভাই জয়নাল আবেদীন বলেন,

অনেক শখ ছিল নতুন ঘরে ওঠবে। কিন্তু ক`রোনায় যেকোন মুহূর্তে ফ্লাইট বন্ধ করে দিতে পারে সেই ভয়ে তাড়াহুড়া করে দেশে থেকে কর্মস্থলে ফিরে যায়। বিধিবাম, সেই স্বপ্নের ঘরটাতে আর ফেরা হবে না তার।

লা`শের সর্বশেষ পরীক্ষায় ক`রোনা পজিটিভ আসে বলে জানান তার চাচা। নিয়ম অনুযায়ী আরব রাষ্ট্রগু'লোতে করো’নায় মা'রা যাওয়া লা`শ স্বদেশে ফেরত পাঠানো হয় না। বর্তমানে তার `লা`শটি আল নাদাহ হাসপাতালের হিমঘরে রাখা হয়েছে।যাব'তীয় কাগজপত্র তৈরি করে ওমানেই লা`শ দা`ফন করা হবে। নিজ জন্মভূমিতে লা`শটিও যাব'ে না। বাবাহারা এতিম সন্তানগু'লো বাবাকে শেষবারের মতো দেখার সুযোগও মিলবে না।

About admin

Check Also

খেলতে যাই

খেলতে যাই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *