রাজকন্যা লতিফার জীবিত থাকার প্রমাণ দিতে ব্যর্থ আমিরাত

দুবাইয়ের রাজকন্যা শেখ লতিফা বিনতে মোহা'ম্ম'দ আল মাখতুম জীবিত আছেন বলে কোনো বিশ্বা'সযোগ্য প্রমাণ দিতে পারেনি সংযুক্ত আরব আমিরাত।দুবাই শাসকের এই নিখোঁজ কন্যাকে সবশেষ ২০১৮ সালে দেখা গিয়েছিল।গত মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাত বলেছে, প্রিন্স লতিফা পরিবার ও চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে বাড়িতে আছেন।তিনি জীবিত আছেন কিনা—দুবাইয়ের কাছে বেশ কয়েকবার সেই প্রমাণ চেয়েছে জাতিসং'ঘের মানবাধিকার সংস্থা।

যুক্তরাজ্যের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডমিনিক রবসহ অন্যান্য পশ্চিমা দেশের সরকারের কাছ থেকেও একই দাবি এসেছে।শুক্রবার (০৯ এপ্রিল) জেনেভায় এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জাতিসং'ঘের মুখপাত্র মা'র্তা হুরতাদো বলেন, আমা'দের অনুরোধে সাড়া দেয়নি সংযুক্ত আরব আমিরাত। লফিতার বর্তমান অবস্থা নিয়েও তাদের কাছ থেকে কোনো পরিষ্কার ব্যাখ্যা আসেনি। তিনি বলেন, আমর'া তার জীবিত থাকার কোনো প্রমাণ পাইনি।

আমর'া এমন একটি প্রমাণ চাই, যাতে তিনি বেঁচে আছেন বলে স্পষ্ট প্রমাণ থাকবে। আমা'দের প্রথম উদ্বেগ হলো, রাজকন্যা লফিতা জীবিত আছেন—তা নিশ্চিত হওয়া।লতিফার বি'ষয়ে কথা বলতে আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূতের স'ঙ্গে বৈঠক করতে চেয়েছেন জাতিসং'ঘের জ্যেষ্ঠ কর্মক'র্তারা। হুরতাদো বলেন, লতিফার বড় বোন প্রিন্স শামসার বি'ষয়টিও তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

ব্রিটেনের ক্যামব্রিজের সড়ক থেকে ২০০০ সালে তিনি অ’পহৃত হন। এক ভিডিও বার্তায় ৩৫ বছর বয়সী শেখ লতিফা দাবি করেন, তার বাসাটি কারা'গারে রূপান্তরিত করা হয়েছে। এরপরে তার ভাগ্য নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। ২০১৮ সালে তিনি আমিরাত ছেড়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। একটি ইয়টে করে প্রতিবেশী ওমান অতিক্রম করে আন্তর্জাতিক জলসীমায় প্রবেশ করেন।তিনি মূলত ভারতের পশ্চিম উপকূলে পৌঁছাতে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু তার আগেই ভারতীয় কোস্টগার্ড সদস্যরা তাকে আট'ক করে আরব আমিরাতের নিরাপ'ত্তা বাহিনীর হাতে তুলে দেয়।

About admin

Check Also

রিমান্ড শেষে কারাগারে মামুনুল

ছয় মা'মলায় ১৮ দিনের রি'মান্ড শেষে কারা'গারে পাঠানো হয়েছে হেফাজত নেতা মামুনুল হককে। আজ শনিবার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *