‘লকডাউনে পোশাক শ্রমিকদের এক পয়সাও বেতন কাটা যাবে না’

দেশে করো’না সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আগামী ১৪ এপ্রিল থেকে সাত দিনের জন্য ‘কঠোর লকডাউনে’ পোশাক শ্রমিকদের শতভাগ মজুরি নিশ্চিতের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সং'হতি। গতকাল শনিবার (১০ এপ্রিল) সং'হতির কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটি এক প্রেস বিজ্ঞ'প্ত িতে এ দাবি জানায়।এতে বলা হয়, কঠিন লকডাউনে পোশাক শ্রমিকদের এক পয়সাও বেতন কা'টা যাব'ে না।

সরকার ও মালিককে শ্রমিকদের জীবিকার শতভাগ দায়িত্ব নিতে হবে। সং'হতির নেতারা বলেন, গতবছরের মতো লকডাউনে সরকারি-বেসরকারি কর্মক'র্তারা বেতন পাবেন, সুযোগ সুবিধা পাবেন, কাজে যাব'েন না কিন্তু শ্রমিকদের বেলায় উল্টো অবস্থা এমনটা এবার শ্রমিকরা মেনে নেবে না। গত বছরের পরিস্থিতি যাতে আবারও তৈরি না হয় এর জন্য সরকারকে সতর্ক পদ'ক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান তারা।

প্রেস বিজ্ঞ'প্ত িতে বলা হয়, শ্রমিকরা এই দেশের সম্পদ তাদের জীবন বাঁচলে শিল্পও বাঁচবে। তারা বলেন, এই জীবন বাঁচাতে লকডউন এর সাথে সাথে পোশাক শ্রমিকসহ সব শ্রমিকের বেতন মজুরির শতভাগ নিশ্চয়তার ঘোষণা দিতে হবে। বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সং'হতির সভাপ্রধান তাসলিমা আখতার এবং সাধারণ সম্পাদক জুলহাস নাইন বাবু এক যৌ'থ বিবৃতিতে করো’নার দ্বিতীয় ঢেউয়ে মৃ'ত্যু ও সংক্রমণ ব্যাপকহারে বৃ'দ্ধি এবং লকডাউন পরিস্থিতিতে শ্রমিকের নিয়ে গভীর উৎকন্ঠা প্রকাশ করেন।

নেতারা বলেন, গত বছর লকডাউনে শ্রমিকদের বেতন কা'টা, ছাঁটাই এবং লেঅফে শ্রমিকদের জীবন ছিল বিপর্যস্ত। কাজ হারায় সাড়ে ৩ লাখের বেশি শ্রমিক। বহু কারখানা এখনো বন্ধ। বহু শ্রমিক কাজ ছেড়ে গ্রামে গেছে কিংবা বেকার হয়েছে। এখনও কোন কোন কারখানার শ্রমিক তাদের বকেয়া বেতন পায়নি। করো’নার সময় যখন সবার ঘরে থাকার কথা সেইসময় গতবছর শ্রমিকরা রাস্তায় রাস্তায় তাদের জীবিকা বাঁচাতে আন্দোলনে নেমেছিল। গতবছরের পরিস্থিতি শ্রমিক এবং দেশবাসীর জীবনকে হু’মকতে ফেলেছিল এবং করো’নার সংক্রমণ বৃ'দ্ধিতেও ভূমিকা রেখেছিল।

তারা বলেন, পোশাক শ্রমিকসহ শ্রমজীবি মানুষরাই দেশের অর্থনীতি সচল রাখতে ভূমিকা রাখে। অথচ সরকার এবং মালিকপক্ষ এদের জীবনের পূর্ণ দায়িত্ব নিতে গড়িমসি ও অবহেলা করে। বিজিএমইএর নতুন পরিচালনা কমিটি, বিকেএমইএ ও বেপজার প্রতিনিধিদের শ্রমিকদের এই বিপদকালে দূরে না ঠেলে তাদের দায়িত্ব গ্রহণ করার জন্য আহবান জানান তারা। তারা বলেন, গতবছরের পুণরাবৃত্তি দেখতে চায় না শ্রমিক ও দেশবাসী।

শ্রমিকদের জীবন বাঁচাতে এবং করো’নার সংক্রমণ ঠেকাতে প্রথমেই শতভাত বেতন মজুরির নিশ্চয়তা এবং অন্যান্য বিপদকালের সুবিধা নিশ্চিত জরুরি। তাছাড়া করো’নার প্রকো'প থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করা সম্ভব না।এদিকে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে এবার কঠোর লকডাউনে যাচ্ছে সরকার। প্রথম দফায় ১৪ এপ্রিল থেকে সাতদিনের জন্য এই লকডাউন দেয়া হবে। এ সময়ে জরুরি সেবা দেয়া প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা ছাড়া সরকারি-বেসরকারি সব অফিস বন্ধ থাকবে। বন্ধ থাকবে গণপরিবহনসহ শিল্পকা

About admin

Check Also

খেলতে যাই

খেলতে যাই

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *